মাইজভাণ্ডার আধ্যাত্মিক শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলার জমিনে মাইজভান্ডারী ত্বরিকার প্রবর্তক গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী হজরত মাওলানা শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ (ক.)’র ১০ মাঘ ১২০তম মহান ওরশ শরীফ উপলক্ষে প্রশাসনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে বক্তারা বলেছেন, সুফিবাদী তরিকত চর্চা যুগে যুগে সমাজে শান্তি ফিরিয়েছে। গাউছুল আজম মাইজভান্ডারি প্রবর্তিত উসুলে সাবা বা সপ্ত পদ্ধতির মাধ্যমে মানুষের লোভ ক্রোধ হিংসা বিদ্বেষ দূরীভুত করা সম্ভব।
সোমবার রাতে ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সভা কক্ষে দরবার-এ গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম।
অতিথি ছিলেন, গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন শাহসূফী সৈয়দ সহিদুল হক মাইজভান্ডারী, শাহসুফি সৈয়দ আহমদ হোসাইন শাহরিয়ার মাইজভান্ডারী, শাহসুফি সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন সোহেল মাইজভান্ডারী, শাহসুফি সৈয়দ হোসেইন রাইফ নুরুল ইসলাম রুবাব মাইজভান্ডারী, শাহসুফি সৈয়দ হোসেইন সাইফ নিহাদুল ইসলাম মাইজভান্ডারী, সৈয়দ আহমদ নাভিদ হাসান মাইজভান্ডারী।
বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জুনায়েদ আবছার চৌধুরী, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সেলিম উদ্দিন, নাজিরহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাহাবুদ্দিন, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম ভজন কুমার বর্মন, ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি আহমদ আলী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান আকাশসহ মঞ্জিলের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি, শ্রমিক সংগঠন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।



