১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘হালদা’ যে কারণে দেশের মিঠাপানির একমাত্র নদী

কামরুল সবুজ, পরিকল্পনা সম্পাদক

হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি উর্বরা নদী। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ি উপজেলার মধ্য দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। নদীর মোট দৈর্ঘ্য ১০৬ কি.মি এবং প্রস্থ ১৩৪ মিটার। যার মধ্যে ২৯ কিলোমিটার অংশ সারা বছর বড় নৌকা চলাচলের উপযোগী থাকে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি চট্টগ্রাম। পাহাড়, সাগর ও নদীবেষ্টিত এ চট্টগ্রাম আরও সমৃদ্ধ হয়েছে হালদা নদীর অনন্য বৈশিষ্ট্যের গুণে।

হালদা দেশের একমাত্র বৃহৎ রুই জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র। এটি পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। পৃথিবীর আর কোন জোয়ার-ভাটার নদী থেকে সরাসরি ডিম আহরণের নজির নেই। এ কারণে হালদা দেশের জন্য এক বৈশ্বিক উত্তরাধিকারও বটে।

‎অপার জীব-বৈচিত্র্যময় ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এ নদী জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রেখে আসছে প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে। রুই জাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ) পোনার জন্য এ নদীর আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকলেও এটি যোগাযোগ, কৃষি ও পানি সম্পদেরও একটি বড় উৎস। প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি গ্যালন পানি উত্তোলন করে চট্টগ্রাম ওয়াসা শহরের সূপেয় পানি সরবরাহ করে এ নদী থেকে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ যে কয়েকটি প্রাকৃতিক সম্পদ দেশে আছে তার মধ্যে হালদা অন্যতম। আগে বাংলাদেশ ছাড়াও হালদার পোনা ভারত ও মিয়ানমারে রপ্তানী হতো। সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, বাঁক কাটা, মা-মাছ শিকার, নদী দূষণ, সরকারের উদসীনতাসহ মানবসৃষ্ট নানা কারণে প্রাকৃতিক এ মৎস্যভান্ডার এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। ফলে প্রতি বছর মা-মাছের ডিম ছাড়ার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমছে।

হালদার উৎপত্তি;

‎খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পাহাড় থেকে দেশের মৎস্য খনিখ্যাত হালদার উৎপত্তি। এই নদী চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রাউজান ও হাটহাজারী উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রায় ৯৮ কি.মি পথ অতিক্রম করে চট্টগ্রাম শহরের কালুরঘাট নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। ফটিকছড়ির উপর দিয়ে দেশের গর্ব এ নদীর অধিকাংশ পথ অতিক্রম করেছে।

নামকরণ;

‎‎হালদার উৎপত্তি স্থল মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের পাহাড়ী গ্রাম সালদা। সালদার পাহাড়ী র্ঝণা থেকে নেমে আসা ছড়া সালদা থেকে হালদা নামকরণ। তবে, সালদা নদী নামে বাংলাদেশে আরো একটি নদী আছে, যেটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপন্ন হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

হালদার প্রাণ সংশয়ের সূচনা পর্ব;

‎‎প্রায় শতবছর আগে হালদার বয়ে চলার রূপরেখা ছিল বিশ্বের নদ-নদীগুলোর মাঝে অনন্য। সাপের মতো বাঁক নিয়ে ছিল এর চলাচল। পূর্ব মাদার্শা গ্রামকে ঘিরে ৮ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে ছিল হালদার মনহরা সেই বাঁক। ‎কিন্তু সে বাঁক সইল না স্থানীয় কৃষকদের। ভারি বৃষ্টি হলেই এ বাঁকের কারণে নদীর পানি নামত ধীরগতিতে; আর তাতে তলিয়ে যেত ভাটি অঞ্চলসহ দুই তীরের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। এছাড়া তৎকালীন সময়ে যাতায়াতের একমাত্র এ নদীপথে পাড়ি দিতে হতো অতিরিক্ত ৮ কিলোমিটার পথ। যদিও আড়াআড়িভাবে এ পথের দূরত্ব মাত্র আধ কিলোমিটার।

‎‎সে দুর্ভোগ লাগবে গ্রামবাসী বাড়িঘোনা বাঁকটি কেটে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তাদের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন তৎকালীন স্থানীয় জমিদার রামকৃষ্ণ মহাজন। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকেও বৈজ্ঞানিক কারণ দেখিয়ে বাঁক কাটার বিরোধিতা করা হয়। ‎১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরে গ্রামবাসী বাঁক কাটতে এগিয়ে আসে। তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় জমিদার ও পাকিস্তান পুলিশ। এলাকাজুড়ে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। গ্রামবাসী সে ধারা ভঙ্গ করে বাঁক কাটতে শুরু করলে গুলি চালায় পুলিশ। স্থানীয়দের হিসেবে ওইদিন পুলিশের গুলিতে নিহত হন অন্তত ৩৮ গ্রামবাসী। যদিও সরকারি হিসেবে এ সংখ্যা ১০। বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে কাটা নদীর সেই অংশকে নামকরণ করা হয় ‘শহীদ খাল’।

‎সেদিন কৃষকরা ফসল বাঁচাতে গিয়ে রক্ত ঝরিয়েছে ঠিকই; কিন্তু একই সঙ্গে হালদাকে ঠেলে দিয়েছে সংশয়ের দিকে। পরবর্তীতে ১৯০৫ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে স্থানীয় মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের সুবিধার্থে হালদার ১১টি বাঁক কেটে সোজা করে ফেলে। এতে হালদা হারায় তার অনন্য সর্পিল বৈশিষ্ট্য। শুরু হয় বাকি অনেক নদীর মতো সরলপথে প্রবাহিত হওয়া। এতে হালদার দৈর্ঘ্য কমেছে ২৫ দশমিক ২৫ কিলোমিটার।

‎বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় হালদার জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের জন্য মানবসৃষ্ট ১০টি কারণ অন্যতম হিসেবে গত ১০০ বছরে ১১টি বাঁক কেটে দেয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর এর সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মৎস প্রজননের ওপর।

উপনদী সমূহ;

‎হালদায় পতিত দুপাশের উপনদীগুলো প্রশস্ততার বিচারে সাধারণত নদীর পর্যায়ে পড়ে না। বেশিরভাগই ঝোড়া, ছড়া, খাল কিংবা ঝর্ণা জাতীয়। তবে মানিকছড়ি, ধুরুং এবং সর্তা যথেষ্ট প্রশস্ত। পূর্বদিক হতে যেসব খাল হালদার সাথে মিলিত হয়েছে তাদের উৎপত্তি পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ে। পশ্চিম দিক হতে আসা খালগুলোর উৎপত্তি স্থল সীতাকুণ্ড পাহাড়। দুই পাহাড়ের মাঝখানে হালদা প্রবাহিত হয়েছে উত্তর দিক হতে দক্ষিণ দিকে। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড় থেকে উৎপন্ন খালগুলো হচ্ছে মানিকছড়ি, ধুরুং, তেলপারই, সর্তা, কাগতিয়া এবং ডোমখালী খাল। সীতাকুন্ড পাহাড়ী রেঞ্জ হতে উৎপন্ন হওয়া খালগুলোর মাঝে আছে গজারিয়া,ফটিকছড়ি, হারুয়ালছড়ি, বারমাসিয়া, মন্দাকিনী, বোয়ালিয়া এবং পোড়া কপালী খাল।

কখন ডিম ছাড়ে;

‎প্রতিবছর হালদায় একটি বিশেষ মূহুর্তে ও বিশেষ পরিবেশে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস ও কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণে ডিম ছাড়ে। ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে ‘তিথি’ বলা হয়ে থাকে। মা মাছেরা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত শুধু অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে অনুকূল পরিবেশে ডিম ছাড়ে। ডিম ছাড়ার এই বিশেষ সময়কে স্থানীয়রা ‘জো’ বলে। এই জো এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অমাবস্যা বা পূর্ণিমা হতে হবে, সেই সাথে প্রচণ্ড বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাত হতে হবে। এই বৃষ্টিপাত শুধু স্থানীয় ভাবে হলে হবে না, তা নদীর উজানেও হতে হবে। ফলে নদীতে পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হয়। এতে পানি অত্যন্ত ঘোলা ও খরস্রোতা হয়ে ফেনাকারে প্রবাহিত হয়। জো এর সর্বশেষ বৈশিষ্ট্য হল নদীর জোয়ার-ভাটার জন্য অপেক্ষা করা। পূর্ণ জোয়ারের শেষে অথবা পূর্ণ ভাটার শেষে পানি যখন স্থির হয় তখনই কেবল মা মাছ ডিম ছাড়ে। মা মাছেরা ডিম ছাড়ার আগে পরীক্ষামূলক ভাবে অল্প ডিম ছাড়ে। ডিম ছাড়ার অনুকূল পরিবেশ না পেলে মা মাছ ডিম নিজের দেহের মধ্যে নষ্ট করে দেয়। ডিম সংগ্রহ করে জেলেরা বিভিন্ন বাণিজ্যিক হ্যাচারিতে উচ্চমূল্যে বিক্রি করেন।

হালদা নদী গুরুত্বপূর্ণ কেন?

‎হালদা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রুই জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র। এটিই দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশের রুই জাতীয় মাছের একমাত্র বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক। এই প্রাকৃতিক জিন পুল বাঁচিয়ে রাখার জন্য হালদার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রগুলিতে ইনব্রিডিং-এর কারণে মাছের বৃদ্ধি মারাত্বকভাবে ব্যহত হচ্ছে এবং বামনত্ব, বিকলাংঙ্গতাসহ বিভিন্ন ধরনের জিনগত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে দ্রুত বর্ধনশীল বড় আকারের রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিগনি মাছ এক সময় রূপকথার গল্পের মত মনে হবে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য হালদার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণের বিকল্প নেই। এজন্য বর্তমানে মৎস্যচাষী ও হ্যাচারি মালিকেরা রেণু পোনার জন্য আবার হালদার পোনার দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। হালদা একমাত্র নদী যেখান থেকে আহরিত ডিম স্মরণাতীত কাল থেকে স্থানীয় জ্ঞানের মাধ্যমে প্রাচীন পদ্ধতিতে নদীর পাড়ে খননকৃত মাটির গর্তে (কুয়ায়) ফোটানো হয় এবং চারদিন লালন করে রেণু পোনা তৈরি করা হয়। এ নদীর রুই জাতীয় মাছের বৃদ্ধির হার অন্যান্য উৎসের মাছের তুলনায় অনেক বেশি (যেমন কাতলা বৎসরে ২.০-২.৫ কেজি পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়)। এতে মৎস্যচাষী এবং হ্যাচারি মালিকেরা হালদা নদীর রুই জাতীয় মাছের চাষ কিংবা প্রজনন ঘটিয়ে বেশি লাভবান হতে পারে। ব্রিটিশ আমলে সারা দেশের ২-৩ অংশ পুকুরে মৎস্য চাষ তথা একোয়াকালচার হালদার পোনা দিয়েই করা হতো। এমনকি ভারত এবং মিয়ানমারেও হালদার পোনা চাষের জন্য নিয়ে যেত। বর্তমানেও পরিকল্পিতভাবে হালদা নদীর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব। বর্তমান বাংলাদেশের প্রায় ৮ শতাধিক কার্প হ্যাচারি (রেণুর চাহিদা ২ লক্ষ কেজি প্রায়) তথা বাংলাদেশের একোয়াকালচার এবং বায়োডাইভার্সিটি বাচিঁয়ে রাখার জন্য হালদার প্রাকৃতিক উৎসের গলদা চিংড়ি ও মেজর কার্পের পোনার গুরুত্ব অপরিসীম।

হালদার জন্য ক্ষতিকর;

‎হালদার জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো হলো শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিষাক্ত বর্জ্য, স্থাপনা তৈরী করা নদীতে, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন, নদীর পানি অতিরিক্ত ব্যবহার (চট্টগ্রাম ওয়াসা ও সেচ), অবৈধ মাছ ধরা (বিশেষত নিষিদ্ধ জাল ও বিষ ব্যবহার করে), ডলফিনের জন্য ক্ষতিকর যান্ত্রিক নৌযান চলাচল, এবং পাহাড় থেকে আসা পানির প্রবাহ কমে যাওয়া ও লবনাক্ত পানি মিশ্রিত হওয়া, যা এই প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রের জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতিতে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

হালদাতে নিষিদ্ধ যা;

হালদার সঙ্গে সংযুক্ত ১৭টি খালে প্রজনন মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) মৎস্য আহরণ করা যাবে না। ‎হালদা এবং এর সংযোগ খালের ওপর নতুন করে কোনো রাবার ড্যাম এবং কংক্রিট ড্যাম নির্মাণ করা যাবে না। ‘হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ তদারকি কমিটি’-এ অনুমতি ব্যতিরেকে হালদা নদীতে নতুন পানি শোধানাগার, সেচ প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করা যাবে না।

‎সারা বছর হালদার কর্ণফুলী মোহনা থেকে নাজিরহাট ব্রিজ (অভয়াশ্রম এলাকা) পর্যন্ত ইঞ্জিন চালিত ভারী নৌযান (বালুবাহী ও পণ্যবাহী নৌকা এবং ড্রেজার) চলাচল করতে পারবে না। হালদা এবং তার শাখা নদীর বালুমহাল ইজারা বন্ধ করা এবং ড্রেজার দিয়ে বা ক্ষতিকর পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করা যাবে না। নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কোনো প্রকার তামাক চাষ করা যাবে না। নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কৃষি জমিতে ক্ষতিকর কোন কীটনাশক বা বালাইনাশক ব্যবহার করা যাবে না। নদীর পাড় সংলগ্ন এলাকায় কোনো প্রকার ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না।

মৎস্যখনি খ্যাত এই হালদা আমাদের ঐতিহ্য। হালদা শুধু মৎস্য সম্পদের জন্য নয় এটি কৃষি ও পানি সম্পদেরও একটি বড় উৎস। এ নদী জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্ত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি আমাদের প্রাণিজ প্রোটিনের উল্লেখযোগ্য যোগানদাতা।

লেখক: ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, ফটিকছড়ি প্রতিদিন।

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?