১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসিতে অভিযোগ

সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলে জামায়াত প্রার্থীর আপিল

রাজনৈতিক প্রতিবেদক

বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর ও জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমীন।

চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপি থাকা এবং মনোনয়নপত্রের হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে তাঁর মনোনয়ন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুল আমিন।

আপিলে বলা হয়, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় সরোয়ার আলমগীর তার আর্থিক দায়, বিশেষ করে ব্যাংকঋণ সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করেননি। যা নির্বাচন আচরণবিধি ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আইন অনুযায়ী, ঋণ খেলাপি হওয়া কিংবা হলফনামায় মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করলে প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলযোগ্য।

জামায়াত প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের দাবি, সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সরোয়ার আলমগীরের বকেয়া ঋণের তথ্য রয়েছে, যা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয়েছে। তাঁর মতে, এ ধরনের তথ্য গোপনের মাধ্যমে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং এটি সরাসরি নির্বাচনী আইনের পরিপন্থী।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুতা রক্ষায় আইনের ঊর্ধ্বে কাউকে রাখা যায় না। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে নির্বাচন কমিশনের উচিত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।’ নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আপিলটি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও দাখিলকৃত নথিপত্র যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঋণ খেলাপি ও হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এ ধরনের অভিযোগ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে।

তবে অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সরোয়ার আলমগীর। তিনি বলেন, ‘হলফ করে বলছি—এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমি কোনো ঋণ খেলাপি নই। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে থাকা প্রার্থীদের চিরাচরিত কৌশল হলো ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো।’

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?