৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোরোর ফলন; ফটিকছড়িতে কৃষকের মুখে হাসি

এস এম আক্কাছ

ফটিকছড়ি উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে বোরো ধানের দেদার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন গ্রামের ফসলের মাঠে সোনালি ধানের সমারোহ। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন ধানের শিষ। ফসলের মাঠে সবুজ বর্ণ থেকে ধান পেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করা শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও আগাম লাগানো ধান আগে পেকে যাওয়ায় ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে।

কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে মোট ১০ হাজার ৫ শ ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। আবাদ হওয়া জমি থেকে ৪২ হাজার ৭০ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

আজিমনগর গ্রামের কৃষক আবদুল আজিজ বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আমি ৩ কানি জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। বোরোর বীজ, রাসায়নিক সার, কীটনাশক এবং সেচের কোনো ঘাটতি না থাকায় বোরো ধান চাষে কোনো সমস্যা হয়নি।’

বারৈয়ারহাট গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ এনাম বলেন, ‘শুরুতে বৃষ্টির অভাবে খরায় পড়েছি। মাঝে কিছুটা বৃষ্টিপাত হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ইনশাল্লাহ আশানুরূপ ফলন পাবো বলে আশা করছি।’

সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও পাকা ধান কাটতে শুরু করছেন। গত কয়েকদিনের প্রচণ্ড দাবদাহেও ঘরে বসে নেই তারা। রৌদ্র তাপ উপেক্ষা করে ভোর থেকে মাঠে গিয়ে ধান কাটছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সালেক বলেন, ‘বোরো মৌসুমের শুরু থেকে আমরা কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি। এছাড়া ফসলের সঠিক পরিচর্যার জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ধান সম্পূর্ণ কেটে ঘরে তোলা পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের দেদার ফলন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য।’

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?