ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডারী তরিকার বৈশ্বিক রূপদানকারী, ইমামে আহলে সুন্নাত, শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ হাসানী (ক.)’র বার্ষিক ওরশ শরীফ মাইজভান্ডার দরবার শরীফে অনুষ্টিত হয়েছে।
ওরশের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে এনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক হানাহানি বন্ধ ও মানব কল্যাণে কাজ করে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী। তিনি জাতিসংঘসহ বিশ্বব্যাপী মাইজভান্ডারী তরিকার ভাবাদর্শ প্রচার ও প্রসারিত করে দিয়েছেন। রশিয়া ও সিঙ্গাপুররে মসজিদ স্থাপন করে বিশাল দৃষ্টান্তু স্থাপন করেছেন। বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আফ্রিকার ঘানায় শান্তি পুরষ্কারে ভুষিত হন। এছাড়াও তিনি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা স্থাপন করেন। তাই এই মহান আধ্যাত্মিক সাধকের প্রদশিত পথে আমাদের অনুসরণ করা দরকার।
এ উপলক্ষ্যে গাউছিয়া মইনিয়া মঞ্জিলের শাজ্জাদানশীন সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ আল হাছানী (ম.জি.আ) সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শাহজাদা সৈয়দ মেহবুব-এ-মইনুদ্দিন আল হাসানী, শাহজাদা সৈয়দ মাশুক-এ-মইনুদ্দিন আল হাসানী, শাহজাদা সৈয়দ হাসনাইন-এ-মইনুদ্দিন আল হাসানী, সৈয়দ মইনুদ্দিন মাইজভাণ্ডারী। বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল সেক্রেটারী কাজী মহসিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দিন মিয়া, মোঃ আলমগীর খান মাইজভাণ্ডারী, ডাঃ মাওলানা গোলাম মোস্তফা, নুরুননবী আল কাদেরী, হাফেজ সুলাইমান আনসারী, ডাঃ মুফতি মইনুদ্দিন আল কাদরী, মুফতি হাসান আজহারী, ইসমাইল হোসেন শিরাজী প্রমুখ।



