১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খেলনা, রং ও বাসনপত্রে সিসার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ জরুরি

ফ.প্র ডেক্স

রং, অ্যালুমিনিয়ামের বাসনপত্র এবং শিশুদের খেলনা তৈরিতে নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণ সিসা ব্যবহার করা হয়, যা শিশুদের মেধা ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় এসব পণ্যে সিসার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি।

গত মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক নীতিনির্ধারণী সংলাপে বক্তারা একথা বলেন। বিএসটিআইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআই, ইউনিসেফ ও এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব ও এসডোর চেয়ারপারসন সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএসটিআইর মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিএসটিআই মান উইংয়ের পরিচালক মো. সাইদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ বলেন, সিসা একটি নীরব ঘাতক– যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশেষ করে শিশুদের মেধা ও স্নায়ুতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে এটি কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এ ক্ষতিকর ধাতব উপাদান থেকে রক্ষা পেতে হবে। শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত রং এবং নিত্যব্যবহার্য পণ্য যেমন– বাসনপত্র ও খেলনায় সিসার ব্যবহার বন্ধে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিএসটিআইর মহাপরিচালক এসএম ফেরদৌস আলম বলেন, বিএসটিআই ইতোমধ্যে ডেকোরেটিভ পেইন্টে সিসার মাত্রা ৯০ পিপিএম নির্ধারণ করে দক্ষিণ এশিয়ায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শিল্প, মেরিন ও অটোমোবাইল পেইন্টের বাংলাদেশ মান (বিডিএস) প্রণয়ন করা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মো. সামসুদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরজু মিয়া, আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ড. তাহমিনা শিরিন, এসডোর নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা, ইউনিসেফের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. প্রিসিলা ওবিল।

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?