২০২৬ সালের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা। মাদ্রাসার ঘন্টা বেজে উঠলো। ছাত্র-ছাত্রী সবাই মাদ্রাসা মাঠে দাড়ালো। হুজুরের হুইসেলের তালে তালে শরীর চর্চা করলো। তারপর সমস্বরে সবাই গেয়ে উঠলো- “সবছে বালা ও আলা, হামারা নবী…।
তারপর দোয়া মুনাজাত হলো। ছাত্র-ছাত্রী সবাই ক্লাসে গিয়ে বসলো। মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন শিক্ষকদের নিয়ে হল রুমে গেলেন। বই বিতরণের ডাক পড়লো একে একে প্রতি ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের। শুরু হলো বই বিতরণ।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, সময়ের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি ও ফটিকছড়ি প্রতিদিন’র প্রকাশক মো: সোলাইমান আকাশ।
সহ সুপার মাওলানা মোকতার হোসাইনের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মদ আবুল ফয়েজ, মাদ্রাসার পরিচালক মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাতেন, ইউপি সদস্য মুহাম্মদ ইলিয়াছ, মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন, আব্দুর রহিম বাদশা, মুহাম্মদ মোর্শেদ, মুহাম্মদ লোকমান সওদাগর, শিক্ষক মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, শিক্ষিকা নায়মা আকতার, রুনা আকতার, আয়শা আকতার, সারজিনা আকতার প্রমূখ।
ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবাসী সাংবাদিক ও সমাজ সেবক মো. আজিমুল গণি।
এতে প্রধান অতিথি তিনি বলেন, বই হচ্ছে জ্ঞানের ভান্ডার। বই মানুষের মনকে আলোকিত করে। নতুন দিনে নতুন বই শিশুদের মনে আনন্দ জাগায়। এই আনন্দ জ্ঞানঅর্জনের পথ প্রশস্ত করে। প্রবাসী সাংবাদিক আজিমুল গনি নিবৃত পল্লীতে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্টা করে আলোকিত সমাজ গড়ার পথ উম্মোচিত করেছেন। তার এই মহা মানবের পথ আজীবন আলোকিত থাকবে।
উল্লেখ্য, দুর্গম মগকাটা এলাকায ২০১৬ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন প্রবাসী সাংবাদিক আজিমুল গনি।এই মাদ্রাসায় হযরত আবদুল বাছেত শাহী জামে মসজিদ, সৈয়দা মাছুমা জাহান হেফজ ও এতিমখানা রয়েছে। বর্তমানে এই মাদ্রাসায় শিশু শ্রেণী থেকে ইবতেদায়ী পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান চলছে। পাশাপাশি হেফজ বিভাগে দক্ষ শিক্ষক দ্বারা হিফজুল কোরআনের পড়াশোনা চলছে। দূর্গম এলাকার মুসল্লিদের জন্য মসজিদও নির্মিত হয়েছে।



