প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় নারায়ণহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ সিকদারসহ আট আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
বুধবার সকালে আসামিরা আত্মসমর্পণ করতে আসলে মামলার গুরুত্ব ও আত্মসাতের অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কবির হোসেন বলেন, ‘২০১৯ সালে সংঘটিত অর্থ আত্মসাতের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদসহ আট আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।’
আদালত সূত্রে জানা যায়, স্পেশাল মামলা নাম্বার ২৯/২০২৫ মামলায় তাদেরকে চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আসামিদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ সিকদারসহ আটজনের বিরুদ্ধে কোনো কাজ না করেই ছয়টি উন্নয়ন প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়। এসব প্রকল্প ছিল সেতু ও সড়ক সংস্কার সংক্রান্ত। পাশাপাশি চেয়ারম্যান দোকান ভাড়ার অর্থও আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব সুধীর কুমার পাল, মো. গিয়াস উদ্দিন ও মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী; ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তৈয়ব এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মো. তৈয়ব; মেসার্স এম কে এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মোজাফ্ফর কামাল চৌধুরী; মেসার্স আর এন এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মো. রফিকুল ইসলাম এবং মেসার্স হাজি আহমদ হোসেন মীর এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মো. আবু তাহের।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান, সচিব ও ঠিকাদাররা পরস্পরের যোগসাজশে ছয়টি প্রকল্পের আওতায় ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং চেয়ারম্যান দোকান ভাড়া বাবদ আরও ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।



