৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন

প্রতীক বরাদ্দ; আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

মো. নুরুল আমিন , সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী , জিন্নাত আরা , গোলাম নওশের , এড. একে করিম , রবিউল হাসান তানজিম, জুলফিকার আলী।

ত্রয়োদশ জাতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফটিকছড়ি আসনের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসব বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক পেয়ে কাল বৃহস্পতিবারই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে প্রার্থীদের।

রিটার্নিং কার্যালয় সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতিনিধি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। নির্বাচন কমিশনের বিধি ও নির্দেশনা অনুসরণ করে তারা প্রতীক বরাদ্দ নেন। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত মো. নুরুল আমিন প্রার্থী দাঁড়ি পাল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী আহম্মদ কবির করিম ফুটবল, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল ইসলাম তানজিন ট্রাক, জনতার দল প্রার্থী গোলাম নওশের আলী কলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আরা হরিণ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান ও দলটির প্রার্থী সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারি একতারা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী জুলফিকার আলী হাতপাখা প্রতীক পান।

এদিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এবং বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। আদালতে বিষয়টি নিস্পত্তির পর এটি দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুল আমীন বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি। অন্যান্য প্রার্থীরাও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রেখে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে লড়বেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।’

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কমিশনের নির্দেশনায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি কাল বৃহস্পতিবার থেকে আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানোর জন্য প্রার্থীদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশনের নির্দেশে স্ব-স্ব প্রার্থী প্রতীক পেয়ে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক শুরু করবে কাল বৃহস্পতিবার থেকে। প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে মাঠে-ময়দানে নেমে পড়বেন বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটারেরা। তাদের প্রত্যাশা; নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, যেখানে সব প্রার্থী পাবেন সমান সুযোগ ও সুবিধা।

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?