যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমন্বিতভাবে ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছে। ইসরাইলের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে চলমান হামলাটি একটি যৌথ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের অভিযান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার একটি লক্ষ্য ইরানের প্রেসিডেন্ট ভবন।
ইরানি বিরোধী সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি নেতাদের বাসভবনও লক্ষ্য করা হচ্ছে। এছাড়া হামলা ইরানের সেই সাইটগুলোকেও নিশানা করছে, যেখান থেকে ইসরাইলের ওপর আক্রমণ করা হতে পারে।
এখন পর্যন্ত ইসরাইলের ওপর কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যায়নি। তবে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ কক্ষের কাছে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালানো হয়েছে। ইসরাইল এই হামলাকে ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ (প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক) বলেছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালিয়েছে ইসরাইল, যাতে আমাদের রাষ্ট্রের ওপর ঝুঁকি দূর করা যায়।
এর আগে ইরান ইস্যুতে আলোচনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তিনি বলেছেন, জেনেভায় তৃতীয় দফা আলোচনা শেষে ইরানের পরমাণু আলোচনায় তাদের আচরণে তিনি ‘সন্তুষ্ট নন’।
জেনেভায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা বললেও চূড়ান্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশ। তেহরান প্রয়োজনীয় ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী ইরান এখনও পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগে রাজি নয়। সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে না চাইলেও কখনো কখনো তা করতে হয়।
ট্রাম্প বলেন, আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। তারা যেভাবে আলোচনা করছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমাদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে—এর কাছাকাছি কেউ নেই। আমি চাই না সেটি ব্যবহার করতে। কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে তা ব্যবহার করতেই হয়।



