২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষুব্ধ জনতার হামলায় ভাঙচুর পুলিশের গাড়ি

নাজিরহাটে পুলিশের সিগন্যালে থামতে গিয়ে বাস-পিকআপ সংঘর্ষ, আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাটে হাইওয়ে পুলিশের সিগন্যাল মানতে গিয়ে ফলবাহী একটি পিকআপ ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের কুম্ভারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খাগড়াছড়ি থেকে আসা দ্রুতগামী একটি ফলবোঝাই পিকআপকে নাজিরহাট কুম্ভারপাড়া এলাকায় দায়িত্বরত হাইওয়ে পুলিশ থামার সংকেত দেয়। পুলিশের সিগন্যাল পেয়ে চালক হঠাৎ ব্রেক করলে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বাস ও পিকআপের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় বাসচালকসহ কয়েকজন যাত্রী আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশ ওই এলাকায় নিয়মিত গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র তল্লাশির নামে চাঁদাবাজি করে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ করিম বলেন, “পুলিশ এখানে ওত পেতে থাকে টাকা নেওয়ার জন্য। হুট করে সিগন্যাল দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।”

দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং ঘটনাস্থলে থাকা হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজিরহাট হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, “আমরা নিয়মিত দায়িত্বের অংশ হিসেবে মহাসড়কে গাড়ি তল্লাশি করছিলাম। ফলবাহী পিকআপটিকে থামার সংকেত দেওয়া হলে চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এখানে পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল না।”

পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, “কোথাও কিছু হলে সব দায় পুলিশের ওপরই পড়ে। কিছু সুযোগসন্ধানী লোক পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের গাড়ির গ্লাস ভেঙে গেছে।”

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?