২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির কৃতি নারী সাংবাদিক অপর্ণা খাস্তগীর আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফটিকছড়ির কৃতি নারী সাংবাদিক অপর্ণা খাস্তগীর।

যে মানুষটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংবাদপত্রের পাতায় অন্যের কথা তুলে ধরেছেন, নিজের বিদায়ের সংবাদটুকুও যেন লিখে গেলেন নীরবতার কালিতে। গত ১৭ মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর জীবনাবসান হয়।

পিপলস ভিউ, দৈনিক বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সুপ্রভাত বাংলাদেশ পত্রিকার সাবেক সহ সম্পাদক অপর্ণা খাস্তগীর ছিলেন সাহসী, নির্লোভ ও নীরব এক সংবাদযোদ্ধা। সংবাদপত্রের ব্যস্ত অঙ্গনে থেকেও তিনি ছিলেন প্রচারের আলো থেকে দূরে। নিজের কাজ, সততা ও দায়িত্ববোধ দিয়েই সহকর্মীদের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন শ্রদ্ধাভাজন একজন মানুষ।

ফটিকছড়ির সুন্দরপর পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের সন্তান অপর্ণা খাস্তগীর ছিলেন এক সম্ভ্রান্ত ও সংস্কৃতিমনা পরিবারের উত্তরসূরি। তাঁর বাবা ডা. মনীন্দ্র লাল খাস্তগীর নগরীর চন্দনপুরা এলাকার পরিচিত চিকিৎসক ছিলেন। পারিবারিক পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে অপর্ণা খাস্তগীর নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন কলমের শক্তি, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে।

১৯৯১ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যাত্রা শুরু করে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। চট্টগ্রামের নারী সাংবাদিকদের জন্য তিনি ছিলেন এক অনুপ্রেরণার নাম। সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে তিনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সম্মাননা লাভ করেন।

তবে জীবনের শেষ অধ্যায়ে তিনি যেন নিভে গেলেন একেবারেই নিরবে। সংবাদকর্মীদের একজন হয়েও তাঁর মৃত্যুসংবাদ পৌঁছাতে দেরি হয়েছে সহকর্মীদের কাছে। এ নীরব বিদায় অনেককেই ব্যথিত করেছে।
অপর্ণা খাস্তগীরের মৃত্যুতে সাংবাদিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীরা।

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?