নাজিরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক প্রতিযোগীতা

দেশে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব সবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে বিদ্যমান পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার। একটি গাছ একটি প্রাণের মতো। আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ সচেতন সমাজ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ। এই ধরিত্রীকে রক্ষা করতে আসুন আমরা সকলে একটি একটি করে গাছ লাগাই।

রোববার (২৯ জুন) ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত বিশ্বপরিবেশ দিবসের অনুষ্ঠানে ‘বিতর্ক প্রতিযোগীতায়’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও সাংবাদিক এস এম আক্কাছ এসব কথা বলেন।

তিনি আরোও বলেন, আজকের বিতার্কিকেরাই আগামী দিনে দেশ গড়ে তুলবেন। এ জন্য এখন থেকেই তাঁদের তৈরি করতে হবে। নিজের দেশ ও সমাজকে ভালোবাসতে হবে। সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার বিতর্ক। জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চার মাধ্যমে তারা দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাবে।

প্রতিযোগিতায় দশম শ্রেণির তার্কিক দল চ্যাম্পিয়ন এবং রানারআপ নবম শ্রেণি তার্কিকেরা। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় বৃক্ষরোপণ, দেয়ালিকা উন্মোচন, ফেষ্টুন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে।

বিতর্কের বিষয় ‘জলবায়ু পরিবর্তনে সচেতনতাই পারে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখতে’। নির্ধারিত সময়ে বক্তব্য উপস্থাপন, তর্ক ও যুক্তি খন্ডনের পরে আসে চুলছেরা বিশ্লেষণ। বিচারকের খাতায় বিপক্ষের দল বিজয়ী হয়ে সাথে ছিলেন ফাইরুজ আকতার, আফরিন জাহান ও জান্নাতুল মাওয়া এবং পক্ষের দল রানার্সআপ হয়ে সাথে ছিলেন নোভায়রা সুলতানা, উম্মে নানজিবা, নুর জাহান আলো। সেরা বিতার্কিক হন বিপক্ষের ফাইরুজ আকতার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যালয়ের জৈষ্ঠ্য শিক্ষক জাহানারা বেগম ও জান্নাতুল নাঈম।

শিক্ষক তিলক কুমার বৈদ্যর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্যে দেন শিক্ষক সৈয়দ পারভেজ সোবহান, মো. মোরশেদ উদ্দিন, মো. মজিদুল ইসলাম ও মো. মহিম উদ্দিন প্রমুখ। পরে বিজয়ী ও বীজিতদের পুরস্কার দেন অতিথিবর্গ।

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?