১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী জামাল উদ্দীন আহমদের ১১তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

জামাল উদ্দিন আহমেদ (১৯২৯-২০১৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

জামাল উদ্দীন আহমেদের জন্ম চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানার দৌলতপুর গ্রামের জুরাগাজী পরিবারে। তাঁর পিতা ডা: ফজলুল করিম, যিনি চট্টগ্রাম জেলার প্রথম মুসলিম ডাক্তারদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর বড় ভাই ডা: কামাল উদ্দীন আহমেদ ছিলেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের একজন গবেষক।

১৯৫৪ সালে জামাল উদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর ১৯৫৬ সালে যুক্তরাজ্যে চাটার্ড একাউনটেনসি পড়ার জন্য যান এবং ১৯৬১ সালে পাশ করে ১৯৬২ সালে দেশে ফিরে আসেন।

জামাল উদ্দিন আহমেদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের একজন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ও অগ্রণি ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান তাকে রাষ্ট্রপতির উপদেষ্ঠা করেন, পরে তাকে শিল্প মন্ত্রাণালয়ের দায়িত্ব দেন। ১৯৭৮ সালে মন্ত্রী পরিষদে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে সাধারণ নিবার্চনে জয়ী হবার পর উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদে অসীন হয়ে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত উক্ত পদে কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে ১২ জুন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। এছাড়া তিনি সার্ক প্রতিষ্ঠায় বিশেষ দূত ছিলেন, ইসলামিক সংস্থা ( ও .আই.সি) তে বাংলাদেশ প্রতিনিধি ছিলেন এবং ইরাক-ইরান যুন্ধ বন্ধের ব্যাপারে দূত হিসেবে কাজ করেন। তিনি সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) এর সাবেক সভাপতি ছিলেন। সেই সাথে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইসিএবি) এর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।এছাড়া তিনি ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের (আইফাক) পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন।

জামাল উদ্দিন আহমেদ ৩ই জানুয়ারি ২০১৫ সালে রাত ১০ টায় বারিধারার বাড়িতে মারা যান। তখন তাঁর বয়স ছিলো ৮৫। গুলশান আজাদ মসজিদে তার প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।এরপর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তিনি দুইজন কন্যা সন্তানের জনক।

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?