চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট। ওইদিন ব্যাংক কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনবেন উচ্চ আদালত।বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন সরওয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী আহসানুল করিম, বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী বলেন, হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়েছে। আদালত শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি রেখেছেন। এদিন আদালত ব্যাংকের বক্তব্য শুনবেন। তিনি বলেন, সরওয়ার আলমগীর ঋণখেলাপি নন। বিধি মোতাবেক তিনি ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করেছেন। তাকে অযথা হয়রানি করছেন জামায়াতের প্রার্থী নুরুল আমিন।সারোয়ার আলমগীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৈধ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগে আপিল দায়ের করা হয়েছিল।
জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন। শুনানি শেষে কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করেন। অপরদিকে, বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরকে ঠেকাতে মঙ্গলবার জামায়াতের প্রার্থী নুরুল আমিন চেম্বার জজ আদালতে আরও একটি সিভিল পিটিশন-২৮২/২০২৬ দায়ের করেন। পিটিশনে বিবাদী করা হয় হালদা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এন্ড ব্রাদার্সকে। মঙ্গলবার ১১৮ নং সিভিল পিটিশনে তিনি দাবি করেন, হালদা এন্টারপ্রাইজ ঋণ খেলাপী। শুনানি শেষে চেম্বার জজ রেজাউল হক পিটিশনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের ফুল বেঞ্চে প্রেরণ করেন। পিটিশনটি বৃহস্পতিবার শুনানি হবে।
সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী বলেন, হালদা এন্টারপ্রাইজ নামে যে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ জামায়াত প্রার্থী এনেছেন; প্রতিষ্ঠানটির সিআইবি রিপোর্ট হালনাগাদ রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি নয়, এর আগে সোমবারও চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মামলায় জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিনের সিভিল পিটিশন নো-অর্ডার দিয়ে রিলিজ করে দিয়েছিলেন চেম্বার জজ।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের বিচারপতি কুদ্দুস জামানের বেঞ্চ বিএনপি প্রার্থীর মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়ে যে আদেশ দিয়েছিলেন, জামায়াতের প্রার্থী নুরুল আমিন সে আদেশের বিরুদ্ধে সিভিল পিটিশন দায়ের করেন। শুনানি শেষে চেম্বার জজ নো-অর্ডার দিয়ে সিভিল পিটিশনটি রিলিজ করে দেন।



