৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাইজভান্ডারি মাঘ উৎসব ও স্মরনিকা প্রকাশনা

শেখ বিবি কাউসার, শিক্ষক ও লেখক।

মাইজভান্ডারি একাডেমি কর্তৃক শিশু কিশোরদের জন্য ' মাঘ উৎসব ' স্মরণিকা উন্মোচন করা হয়।

বাংলার জমিনে প্রবর্তিত মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকার প্রবর্তক গাউসুল আজম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক) এর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী এবং ১২০ তম মহান উরস শরিফ উপলক্ষে দেড়যুগ পূর্তি শিশু কিশোর সমাবেশে এস জেড এইচ এম ট্রাস্টের প্রকাশনা ও গবেষণা উইংস মাইজভান্ডারি একাডেমি কর্তৃক ‘প্রতিভার দূয়ার খুলে আকাশ ছোঁব ‘ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রকাশ করেছে শিশু কিশোরদের জন্য ‘ মাঘ উৎসব ‘ স্মরণিকা । এতে প্রযুক্তি ও জ্ঞান নির্ভর শহর শিরোনামে আমার একটা লেখাও স্থান পেয়েছে। মাইজভান্ডারি একাডেমিসহ দেড়যুগ পূর্তি শিশু কিশোর সমাবেশের সংশ্লিষ্ট সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

প্রযুক্তি ও জ্ঞান নির্ভর শহর

ছোট্ট বন্ধুরা বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে প্রতিনিয়ত আসছে নানান পরিবর্তন। তোমরা নিশ্চয়ই এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম শুনেছ? পৃথিবীর বিভিন্ন বড় বড় দেশ যেমন চীন, জাপান, জার্মান, ইংল্যান্ড, আমেরিকা এমনকি আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতেও এআই শহর তৈরি করা হচ্ছে । ভবিষ্যতে এর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তাহলে একটু ভেবে দেখ, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদেরও দক্ষতা গুলো রপ্ত করা প্রয়োজন। যদি তোমরা প্রযুক্তিতে দক্ষ হও তাহলে তোমরাও সেই এআই শহর তৈরি করতে পার। তবে তোমাদের সাথে যদি থাকে আরো একটি স্কীল (দক্ষতা) তাহলে তোমরা হবে সোনায় সোহাগা।

এবার আসা যাক মূল কথায়।

বর্তমান এই যুগে এসে আমরা যেমন এআই শহর বা কৃত্রিম শহরের কথা বলছি । তবে তোমরা জেনে অবাক হবে, এআই শহরের চেয়েও একটি বড় শহর আছে। আর সেটি হলো জ্ঞান বা ইলমের শহর। এআই শহর যেকোনো সময় ধ্বংস হতে পারে কিন্তু জ্ঞানের শহর ধ্বংস হয় না বরং পৃথিবী যতদিন ঠিকে থাকবে ততদিন এই শহরও ঠিকে থাকবে। মহানবি হজরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ আমি জ্ঞানের শহর, আলি তার দরজা। ” সেই জ্ঞানের শহর হলেন আমাদের সকলের প্রিয় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আর সেই শহরে প্রবেশ করতে হবে হজরত আলি ( রা.) এর মাধ্যমে। তাহলে মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এঁর এই কথা থেকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি যে প্রিয় হাবিবের সেই শহরে প্রবেশ করতে হলে আমাদেরকে অনুসরণ করতে হবে হজরত আলি (রা.) সহ সকল সাহাবী ও অলি আউলিয়াগণের প্রদর্শিত পথকে। এই ঐশী জ্ঞান বইপুস্তকে নেই আবার পৃথিবীর যত বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই পড় সেখানেও নেই।

নিশ্চয়ই তোমাদের অবাক লাগছে! হয়তো ভাবছ, তাহলে কোথায় গেলে সে জ্ঞানের দেখা পাব ?আমরা তো ইন্টারনেটে অনেক কিছু সার্চ করি, তোমারাও যদি মন থেকে সেই জ্ঞান শহর খুঁজে দেখ তাহলে আমার বিশ্বাস অবশ্যই সেই শহরের সন্ধান পাবে। তারপরও তোমাদের খুঁজে পাওয়ার সুবিধার্থে বলে রাখি, আমরা সে জ্ঞানের সন্ধান পাব অলি আউলিয়া ও সাধকগণের সান্নিধ্যে গেলে।

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?