৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামগড় বিজিবির প্রেসবিফ্রিং

খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রামের ৩৪৪ ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তা দেবে গুইমারা সেক্টর

খাগড়াছড়ি প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সারাদেশে ভোটারদের নিরাপদ ভোটাধিকার সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে।

বুধবার রামগড় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গুইমারা সেক্টরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম এ তথ্য জানান। ‎‎ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিজিবি সর্বাত্মক নিরপেক্ষ থেকে সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়। ভোটাররা নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারে, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবে।‎‎

তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে যাতে চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অন্য কোনো অপরাধ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে না পারে। এজন্য সীমান্তে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।

‎‎বিজিবি সূত্র জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সারাদেশে ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৬১টি সীমান্তবর্তী উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে। চট্টগ্রাম রিজিয়নের অধীনে গুইমারা সেক্টরসহ তিনটি ব্যাটালিয়ন দুই জেলার সাতটি উপজেলায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।‎‎

গুইমারা সেক্টরের ৩৪৪টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ৩২টি, গুইমারা উপজেলায় ১৩টি, মানিকছড়ি উপজেলায় ২১টি, লক্ষীছড়ি উপজেলায় ১২টি, রামগড় উপজেলায় ২০টি, মীরসরাই উপজেলায় ১০৬টি এবং ফটিকছড়ি উপজেলায় ১৪০টি ভোটকেন্দ্রে বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে।‎‎নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যদের নিয়মিত মহড়া, রায়োট কন্ট্রোল প্রশিক্ষণ ও ড্রোন সার্ভেইলেন্সে প্রস্তুতি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহার করার প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়েছে।

‎‎ব্রিফিংয়ে লে. কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম বলেন, ‘গুইমারা সেক্টরের আওতাধীন ব্যাটালিয়নের সকল সদস্য নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সংবিধান ও আইনের আলোকে দায়িত্ব পালন করবেন। সরকার, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।’

সরি, কপি করা যাচ্ছে না

Scroll to Top

কি খুজছেন ?