জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে ফটিকছড়ি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে—এমন অঙ্গীকার করেছেন ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতের আমির নাজিম উদ্দিন ইমু।
বৃহস্পতিবার সকালে তিনি লেলাং ইউনিয়নে নির্বাচনি গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি লেলাং লালপুল, দিঘিরপাড়, সন্ন্যাসীর হাট, আনন্দবাজার, আদর্শ বাজার ও চারালিয়া হাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক গণসংযোগ করেন। নাজিম উদ্দিন ইমু বলেন, “ফটিকছড়িতে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে এসব অপশক্তিকে চিরতরে নির্মূল করা হবে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফটিকছড়ির অন্যতম বড় সমস্যা হচ্ছে বেকারত্ব। এই সমস্যা নিরসনে শিক্ষিত তরুণদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। উচ্চশিক্ষিত তরুণদের আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গণসংযোগকালে ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ইউছুপ বিন সিরাজ, যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি নবীর হোসেন মাসুদ, সহ-সেক্রেটারি রেজাউল করিম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি আবু জাফর এবং লেলাং ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি অধ্যাপক বেলাল উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও গণসংযোগে অংশ নেন।



